ভিসা পাবার পূর্বশর্ত হল ভিসা ইন্টার্ভিউঃ A টু Z টিপস

ভিসা আবেদন অংশের সর্বশেষ ধাপটির নাম ভিসা ইন্টার্ভিউ। আপনি যতই ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান না কেন ভিসা ইন্টার্ভিউ যদি ভাল না হয় সেক্ষেত্রে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফলাফল আসবে না। সুতরাং এই ধাপটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

তবে যারা ইংরেজি তে ফ্লুয়েন্ট আশাকরি উনারা কোনরকম বাধা বিপত্তি ছাড়াই ভাল একটি ভিসা ইন্টার্ভিউ দিতে সক্ষম হবে।  ইংরেজি তে ফ্লুয়েন্ট না হয়েও সঠিক স্টাডি করলে ভাল ইন্টার্ভিউ দেওয়া সম্ভব। একটি বিষয় মনে রাখবেন ভিসা প্রাপ্তির মূল নিয়ামক হল একটি প্রাণচঞ্চল ইন্টার্ভিউ।

এই আরটিকেলে ভিসা ইন্টার্ভিউ নিয়ে যাবতীয় বিষয় আলোচনা করা হয়েছে; ইন্টার্ভিউ রুমে কি ধরনের প্রশ্ন করা হয় এবং আপনার উত্তর গুলি কিরূপ হবে, এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তবে সত্যিকার অর্থেই ভিসা ইন্টার্ভিউ যথেষ্ট সহজ একটি বিষয়, সহজ বললাম এই কারণেই এখানে আপনাকে কোন প্রকার জেনারেল নলেজ নিয়ে প্রশ্ন করা হবে না। তবে ক্ষেত্র বিশেষ আপনার প্রিভিয়াস স্টাডি নিয়ে কিছু প্রশ্ন হতে পারে, সেটাও তখনি সম্ভব যখন ভিসা অফিসার আপনার ট্রেকে পড়াশোনা করেছে অন্যথায় স্টাডি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় না। আর কথা না বাড়িয়ে সরাসরি মূল পর্বে চলে যাওয়া যাই।

প্রথমে দূতাবাস আপনার কাছ থেকে যাবতীয় কাগজপত্র জমা নিবে এরপর আপনাকে ইন্টার্ভিউ রুমে প্রবেশের আমন্ত্রণ জানানো হবে। আমি এখানে প্রশ্ন গুলি ৬ প্রকারে ভাগ করে সাজিয়েছি।

আপনার বিশ্ববিদ্যালয় সমন্ধে

১। আপনি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন?

টিপসঃ এখানে বেশি কথা না বলে সরাসরি স্পষ্ট ভাবে আপনার ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বলবেন।

২। আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কোথায়?

টিপসঃ অবশ্যই আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানা জানতে হবে। বলার সময় ঠিকানা পোস্ট কোড ব্যতীত বলবেন।

৩। আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট এড্রেস কি?

টিপসঃ ওয়েবসাইট এড্রেস বলার সময় https বলার প্রয়োজন নেই। www. দিয়ে ওয়েবসাইটের নাম বলবেন। অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন ওয়েবসাইটের কথা বলবেন ফ্যাকাল্টির ওয়েবসাইটের কথা এখানে বলার প্রয়োজন নেই।

৪। আপনি এই বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে কিভাবে অবগত হলেন/কিভাবে এর নাম জানলেন?

টিপসঃ এই প্রশ্নের জবাবে অনেকে উত্তর দেয় আমি ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেনেছি, ইহা কোনভাবেই ভাল উত্তর নয়। প্রতিটি দেশের নিজস্ব অফিশিয়াল ওয়েবসাইট রয়েছে, আপনি বলতে পারেন যে আমি তোমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www. থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে প্রথম জেনেছি। তারপর বিভিন্ন ব্লগে এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে রিভিউ পড়েছি এবং বিস্তারিত জানার সুযোগ পেয়েছি।

আবার এভাবেও বলতে পারেন যে, বিশ্ববিদ্যালয় কে যারা রেঙ্ক করে তাদের ওয়েবসাইট থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জেনেছি।

৫। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্বন্ধে কিছু বলুন?

টিপসঃ আপনারা দেখেছেন আমাদের ওয়েবসাইটে চেক প্রজাতন্ত্র/স্লোভাকিয়া/স্লোভেনিয়া/এস্তোনিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আপনি যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন তাঁর সংক্ষেপ আলোচনা আমাদের ওয়েবসাইটে পাবেন এতে করে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আপনার পর্যাপ্ত ধারনা হবে এবং এর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ভালভাবে দেখে নিবেন।

৬। আপনি কেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত নিলেন?

টিপসঃ এখানে আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেঙ্ক নিয়ে কথা বলতে পারেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার কথা বলতে পারেন, আপনি যে বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী তা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে। এছাড়া আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইতিবাচক বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারেন যেগুলি আপনাকে প্রভাবিত করেছে।

৭। আপনি কিভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেছেন?

টিপসঃ আবেদনের সামগ্রিক প্রক্রিয়ার কথা এখানে বলবেন। সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমে আবেদনের জন্য অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হয়, সকল একাডেমিক কাগজপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানায় পাঠাতে হয় কিছু দিন পর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কমিটি ফলাফল জানিয়ে দেয় এবং যারা ইতিবাচক ফলাফল পেয়েছে তাঁরা এডিশন লেটার ডাকযোগে পেয়ে যায়।

৮। ভর্তি আবেদনের জন্য আপনি কি কি কাগজপত্র পাঠিয়েছিলেন?

টিপসঃ ভর্তি আবেদনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কে যে সকল কাগজপত্র পাঠিয়েছেন সেগুলির কথা বলবেন।

৯। ভর্তির জন্য আপনি কি কোন প্রকার স্কাইপ টেস্ট বা অনলাইন টেস্ট দিয়েছেন?

টিপসঃ যদি দিয়ে থাকেন তাহলে বলবেন হাঁ দিয়েছি তখন হয়তো ভিসা অফিসার জিজ্ঞেস করবে যে, কে আপনার স্কাইপ টেস্ট নিয়েছে অথবা অনলাইন টেস্ট কোন ওয়েভ লিংক এর মাধ্যমে দিয়েছেন।

এইধরনের টেস্ট না দিয়ে থাকলে “না” বলবেন।

১০। ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য আপনি কোন প্রকার সাহায্য কারো কাছ থেকে নিয়েছেন?

টিপসঃ আমরা অনেক সময় ভর্তি তথ্যের জন্য ভর্তি সেকশনে ই-মেইল করি এরপর এর উত্তর কেউ না কেউ দিয়ে থাকে, যিনি উত্তর দিচ্ছেন আপনি তাঁর নাম এই প্রশ্নের উত্তরে বলতে পারেন। তখন হয়তো ভিসা অফিসার বলতে পারে তাঁর ইমেইল এড্রেস আমাকে বল। সুতরাং ই-মেইল এড্রেস মুখস্থ করে নিবেন।

 আপনার কোর্স সমন্ধে

১। আপনি কোন প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছেন?

টিপসঃ যে প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছেন সেটার কথা বলুন ব্যাচেলর অথবা মাস্টার্স।

২। আপনি ব্যাচেলর/মাস্টার্সের কোন বিষয়ে পড়াশোনা করবেন?

টিপসঃ যে বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন সে বিষয়ের  কথা বলুন।

৩।   আপনার কোর্স সম্বন্ধে আপনি কি কি জানেন?

টিপসঃ এই প্রশ্নের জবাবে আপনার কোর্সের একটি সংক্ষেপ ধারনা ভিসা অফিসার কে দিবেন। যেমন আপনার কোর্স কত বছরের, কয়টি সেমিস্টার, কত ইসিটিএস, কোর্সের প্রতি সেমিস্টারের পরীক্ষার পদ্ধতি এই ধরনের তথ্য দিতে পারেন।

৪। আপনার কোর্সটি কত ক্রেডিট আওয়ারের?

টিপসঃ এই প্রশ্নের জবাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেনে নিন।

৫। আপনার ক্লাস কবে থেকে শুরু এবং আনুমানিক কবে শেষ হতে পারে?

টিপসঃ আপনার ক্লাস শুরুর তারিখ এবং আনুমানিক কোর্স শেষের তারিখ বলুন।

৬। আপনি কেন এই কোর্সটি নির্বাচন করলেন?

টিপসঃ অবশ্যই এই প্রশ্নের জবাবে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা যোগ করবেন যা কোর্সটিকে দারুণভাবে প্রভাবিত করবে এবং আপনার ক্যারিয়ার বিনির্মাণে কোর্স কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে এই নিয়ে সংক্ষেপে বলতে পারেন এবং কোর্সের কারণে কি ধরনের সুযোগ আপনি পাবেন এর কথা উল্লেখ করতে পারেন।

৭। কি কি বিষয় আপনার কোর্সে পড়ানো হবে?

টিপসঃ প্রতি সেমিস্টারে কি কি বিষয় পড়ানো হবে তাঁর লিস্ট বলবেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেনে নিন কি কি বিষয় কোর্সে থাকবে। মনে রাখবেন ভিসা অফিসারকে যে বিষয়গুলোর নাম বলবেন সে বিষয় নিয়ে সংক্ষেপ ধারনা নিয়ে রাখবেন কারণ অনেক সময় আপনার উল্লেখিত বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারে।

৮। কোর্সটি তোমার দেশে যেহেতু এভেইএবল রয়েছে, তাহলে কেন আমার দেশে পড়াশোনা করতে চাঁচ্ছ?

টিপসঃ এই প্রশ্নের জবাবে অবশ্যই আপনার বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগান করবেন এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনা করবেন এবং কোর্স সম্পন্নের পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশি চাকরি-দাতা বিদেশি ডিগ্রী কে কতটা মূল্যায়ন করে এই নিয়ে কথা বলতে পারেন।

৯। প্রতি সপ্তাহে আপনার ক্লাস কত ঘণ্টা হবে?

টিপসঃ সাধারণত সপ্তাহে ৫ দিন ক্লাস হয় এবং প্রতি দিন গড়ে ৪-৬ ঘণ্টা ব্যাপী ক্লাস ডিউরেশন থাকে। আপনি বলতে পারেন যে, সপ্তাহে ২৫-৩০ ঘণ্টা ক্লাস আওয়ার থাকবে।

 টিউশন ফি সমন্ধে

১। আপনার কোর্স শেষ করতে সর্বমোট বিশ্ববিদ্যালয় কে কত টিউশন ফি প্রদান করতে হবে?

টিপসঃ টোটাল কোর্স ফি বলবেন এবং বছরে বা প্রতি সেমিস্টারে কত ইউরো টিউশন ফি দিতে হবে তা উল্লেখ করবেন।

২। আপনি কি ইতোমধ্যে টিউশন ফি পরিশোধ করেছেন?

টিপসঃ যদি করে থাকেন তাহলে বলবেন করেছেন এবং কত করেছেন এমাউন্টের কথা উল্লেখ করবেন।

 আপনার একোমোডেশন এবং বসবাসের খরচ সম্বন্ধে

১। আপনি আমার দেশের কোথায় থাকবেন?

টিপসঃ আমরা জানি যে, ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসা আবেদনের পূর্বে থাকার জায়গা কনফার্ম করতে হয়। আপনি যেখানে আবাসনের জায়গার ব্যবস্থা করেছেন এর বিস্তারিত ঠিকানা মুখস্থ করে নিবেন।

২।  আপনি কত দিনের আবাসনের রিজার্ভেশন নিয়েছেন?

উত্তর: সর্বনিম্ন ৬ মাস থেকে ১২ মাসের নিতে হয়।

৩। আপনি কিভাবে এই আবাসনের সন্ধান জানলেন এবং কিভাবে রিজার্ভেশন নিয়েছেন?

টিপস: বলবেন, বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে কিছু স্টুডেন্ট আবাসনের তালিকা দিয়েছে এরপর আমি অনলাইনের মাধ্যমে এই তালিকা থেকে তাদের ওয়েভ এড্রেসে গিয়ে যোগাযোগ করি।

৪। এই আবাসন রিজার্ভেশনের জন্য কোনপ্রকার পেমেন্ট করেছেন?

টিপস: যদি করে থাকেন এমাউন্ট এর কথা উল্লেখ করবেন।

৫। আপনি যে আবাসনে থাকবেন এটা কি ধরনের আবাসন?

টিপস: আবাসন বিভিন্ন প্রকার হয় যেমন স্টুডেন্ট ডরমেটোরি, হোটেল, আত্মীয়ের বাসা ইত্যাদি

৬। আবাসন থেকে আপনার বিশ্ববিদ্যালয় কেমন দূরত্বের?

টিপস: গুগল মেপ এর মাধ্যমে দেখে নিবেন বাই বাস অথবা মেট্রো ট্রেন দিয়ে যেতে কত সময় নেয়।

৭। আপনি যে রুমে থাকবেন সেটা কি সিঙ্গেল রুম নাকি শেয়ার রুম হবে?

টিপস: সিঙ্গেল হলে সিঙ্গেল বলবেন শেয়ার রুম হলে শেয়ার বলবেন।

৮। আপনার আবাসনের মাসিক ভাড়া কত?

টিপস: আপনার আবাসনের মালিকের কাছে জিজ্ঞেস করে নিবেন আবাসনের মাসিক ভাড়া কত।

৮। তোমার আনুমানিক লিভিং কস্ট কত হবে?

টিপস: আপনার আবাসনের মালিকের কাছে জিজ্ঞেস করে নিবেন আবাসনের মাসিক ভাড়া কত এবং গুগল করে জেনে নিবেন একজন ছাত্রের মাসিক খাওয়া দাওয়া বাবদ কত খরচ হতে পারে। এর সাথে কিছু পকেট মানি এড করে, সর্বমোট যত হয় তত ইউরোর কথা বলবেন। এছাড়া দূতাবাস কে জিজ্ঞেস করতে পারেন যে কত এমাউন্ট ব্যাংকে আমাকে দেখাতে হবে তখন দূতাবাস মাসিক একটা খরচের হিসাব দিয়ে বলবে এই খরচের সাথে ১২ গুন করলে যত হয় তত পরিমাণ টাকা আপনার ব্যাংক একাউন্টে থাকতে হবে। এর মাধ্যমে আপনি জেনে গেলেন যে মাসিক লিভিং কস্ট কত হতে পারে।

 যে দেশে যাচ্ছেন তাঁর সমন্ধে

১। আপনারা খেয়াল করবেন  আমি চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, এস্তোনিয়া দেশ নিয়ে বিস্তারিত লিখেছি যেমন এদের ইতিহাস, স্বাধীনতা পাবার প্রেক্ষাপট, এদের জনসংখ্যা সহ বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আছে। আমার কাছে মনে হয় আপনারা যদি আমার এই লেখাগুলি পড়েন তাহলে স্ব স্ব দেশ নিয়ে কোন প্রকার তথ্যের অভাব থাকবে না।

২। কেন আপনি আমার দেশে পড়াশোনা করর সিদ্ধান্ত নিলেন?

টিপস: আপনি যে দেশে যাচ্ছেন তাদের শিক্ষার মান নিয়ে গুণকীর্তন করুণ। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে ঐ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পার্থক্য করুণ। আপনার বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে গুণকীর্তন করুণ। এবং সর্বশেষ আপনার ক্যারিয়ারে কিভাবে ঐ দেশের ডিগ্রি প্রভাব ফেলবে এই নিয়ে কথা বলতে পারেন।

৩। শিক্ষা শেষের পর আমার দেশে চাকুরী করবেন?

টিপস: অবশ্যই এই ধরনের প্রশ্নে বলতে হবে যে, আমার দেশের দায় আমার উপর রয়েছে, আমার পরিবারের দায় আমার উপর রয়েছে আমি আমার দেশকে কিছু দিতে চাই। তাছাড়া আপনার দেশের শিক্ষা শেষে আমার দেশে ভাল কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। কখনো এটা বলা যাবে না যে, আমি তোমার দেশে চাকুরী করব বা পারমানেন্টলি থেকে যাব।

আপনার নিজ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

১। কোর্স শেষ করার পর আপনি কি করবেন?

টিপস: কোর্স শেষের পর আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা এখানে উল্লেখ করবেন,

২। আপনি বর্তমানে কি করছেন?

টিপস: যদি ছাত্র হয়ে থাকেন তাহলে প্রতিষ্ঠানের নাম বলবেন এবং চাকুরীজীবী হয়ে থাকলে প্রতিষ্ঠানের নাম বলবেন। চাকুরীজীবী হয়ে থাকলে ভিসা অফিসার জিজ্ঞেস করবে আপনার চাকরির জব রেস্পন্সসিভিলিটি কি কি, কোথায় চাকুরী করছেন, কত বেতন পান, কত দিন বা মাস ধরে চাকুরী করছেন, ভিসা এপ্রুভড হলে চাকুরী থেকে ইস্তফা দিবেন নাকি লিভ নিয়ে যাবেন জিজ্ঞেস করবে।

৩। নিজ সম্পর্কে কিছু বলুন?

টিপস: সংক্ষেপে নিজ সম্পর্কে বলবেন। অবশ্যই আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা বলবেন(অনেকে স্কুল কলেজের নাম বলে ইহা এখানে বলবেন না) এই নিয়ে বিস্তারিত টিপস গুগল থেকে নিতে পারেন।

৪। আপনার সর্বশেষ ডিগ্রির নাম কি এবং রেজাল্ট কি ছিল?

টিপস: বলবেন।

৫। আপনার ভবিষ্যতের পরিকল্পনা কি?

টিপস: বলবেন।

৬। ইংরেজি দক্ষতা প্রমাণের জন্য আই ই এলটি এস করেছেন?

টিপস: সাধারণত এই প্রশ্নটি জিজ্ঞেস করে না। জিজ্ঞেস করলে সঠিক যেটা বলবেন।

৭। আপনার বাব-মা কি করেন?

টিপস: বলবেন।

৮। কে আপনাকে স্পন্সর করছে?

টিপস: যিনি করছেন তাঁর কথা বলবেন।

৯। ছাত্রদের পড়াশোনার পাশাপাশি খন্ডকালীন টাইম চাকুরী করার সুযোগ রয়েছে, এই ধরনের সুযোগ পেলে তুমি কি করবে?

টিপস: অবশ্যই না বলবেন। বলবেন আমারা পরিবার আমাকে এখানে পাঠিয়েছে পড়াশোনার জন্য। প্রতি মাসের খরচ বহনে আমার পরিবার যথেষ্ট সামর্থবান। তাছাড়া স্টাডি নিয়ে আমি এমনেতেই অনেক ব্যস্ত থাকব।

১০।  আপনি আপনার ছুটির সময় কি করার পরিকল্পনা আছে?

টিপস: ।আপনি আপনার ছুটির সময় কি করার পরিকল্পনা আছে? টিপস: আপনার পরিবার এবং দেশের সাথে আপনার সম্পর্ক প্রদর্শন করার জন্য একটি পরিকল্পনা দিন। কাজের জন্য আপনার অভিপ্রায় প্রদর্শন করবেন না।

মন্তব্যসমূহ

Facebook