ভিসা আবেদনের জন্য পর্যাপ্ত ফান্ড বা ব্যাংক সলভেন্সি

চেক প্রজাতন্ত্র/স্লোভাকিয়া/স্লোভেনিয়া/এস্তোনিয়া দূতাবাসে স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনের জন্য অবশ্যই শিক্ষার্থীর পড়াশোনা/লিভিং কোস্ট বহনের পর্যাপ্ত অর্থ দেখাতে হয়। এই অর্থ শিক্ষার্থীর নিজস্ব ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে দূতাবাস কে অবহিত করতে হবে।

সাধারণত বর্তমানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ৬৫০,০০০-৭,০০,০০০ টাকার ব্যালেন্স তাদের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে দেখাচ্ছে। এটা একটি রাফ হিসাব। তবে কোন দূতাবাসে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য কত দেখাতে হবে, নির্ভর করবে ঐ দেশের অফিশিয়ালি একজন ছাত্রের মাসিক লিভিং কোস্ট এর উপর।

আপনার ব্যাংক হিসাব ভিসা আবেদন পত্র জমাদানের পূর্বে, নূন্যতম ৩ মাসের পুরাতন হতে হবে।

ব্যাংক স্টেটমেন্ট:

১। শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাবে তাঁর ব্যাংক হিসাবের নামের সাথে পাসপোর্টের নাম মিল থাকতে হবে।

২। অনেকে ভাবে তাদের ব্যাংক হিসাবে তেমন ট্রান্সেক্সান নেই এখন হটাত বড় অঙ্কের টাকা ডিপোজিট করলে কোন প্রকার সমস্যা হবে কিনা? দেখুন আপনি একজন ছাত্র আর একজন ছাত্রের ব্যাংক হিসাবে ট্রান্সেক্সান থাকবে না এটাই স্বাভাবিক তবে যখন থেকে ভর্তি প্রস্তুতি নিবেন তখন থেকেই ছোট ছোট এমাউন্টের লেনদেন করুন। যেমন ১০,০০ টাকা ডিপোজিট করলেন আবার ৫০০০ টাকা তুলে নিলেন।

৩। যে ব্রাঞ্চে একাউন্ট খুলেছেন ঐ ব্রাঞ্চ থেকে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ইস্যু করার চেষ্টা করুন।

৪। ব্যাংক স্টেটমেন্ট নেবার সময় স্টেটমেন্টে ব্রাঞ্চের যেকোনো অফিসাররে সাক্ষর ,তাঁর নাম,পদবী সহ সিল নিয়ে নিন।

৫। চেষ্টা করুন দূতাবাসের নির্দেশনা মোতাবেক ১,০০,০০০ টাকা বেশি রাখতে।

৬। দূতাবাসের নির্দেশনা মোতাবেক ৩-৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিয়ে নিন।

৭। এক্স্যাক্ট কত এমাউন্ট রয়েছে তা দেখে নিবেন,কারণ ভিসা অফিসার জিজ্ঞেস করবে কত এমাউন্ট তোমার ব্যাংক হিসাবে রয়েছে।

৮। টিউশন ফি আপনার নিজস্ব ব্যাংক হিসাব থেকে দেবার চেষ্টা করুন।

৯। ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেন করবেন না। যেমন হটাত বড় অঙ্কের টাকা ক্যাশ ইন হল এরপর ২ দিন পর টাকা ক্যাশ আউট করে ফেললেন। এই ধরনের কাজ করা যাবে না।

নোট: ফান্ড নিজের নামে দেখানো ভাল তারপরেও কেউ যদি দেখাতে না পারে  সেক্ষেত্রে অবশ্যই দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি পরিষ্কার ধারনা নিয়ে নিবেন।  

মন্তব্যসমূহ

Facebook