এস্তোনিয়া ভিসা আবেদনঃ A টু Z

উচ্চ শিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীকে এস্তোনিয়া টেম্পোরারি রেসিডেন্স পারমিট আবেদন করতে হবে।  আপনি ১ বছরের টেম্পোরারি রেসিডেন্স পারমিটের জন্য আবেদন করবেন এবং আপনার আবেদনের পর এস্তোনিয়ান ফরেন পুলিশ জমা দেওয়ার সকল কাগজপত্র এবং ইন্টার্ভিউ পারফর্মেন্স যাচাই বাচাই করবে।

যদি এস্তোনিয়ান ফরেন পুলিশ আপনার আবেদন এপ্রুভ করে তাহলে আপনাকে টেম্পোরারি রেসিডেন্স পারমিট কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ড ব্যাবহার করেই আপনি এস্তোনিয়ায় ফ্লাই করতে পারবেন। এস্তোনিয়ান টেম্পোরারি রেসিডেন্স পারমিট প্রসেসের ২-৩ মাস সময় নেয়।

নিউ দিল্লির এস্তোনিয়া দূতাবাসের সংক্ষিপ্ত বিবরন

  • নিউ দিল্লির এস্তোনিয়া দূতাবাসের ঠিকানাঃ C15, Malcha Marg, Chanakyapuri New Delhi, 110 021 India
  • ওয়েভসাইটঃ Estonian Embassy in New Delhi
  • দূতাবাসের অফিশিয়াল ই-মেইলঃ delhi@mfa.ee
  • ফোন নাম্বারঃ +91 11 4948 8650
  • ওপেনিং হাওয়ারঃ সোমবার, বুধবার এবং শুক্রবার বেলা ১০:০০ থেকে ১:০০ টা

স্টুডেন্ট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া

  • এডমিসান পাবার সাথে সাথে সর্বপ্রথম আপনাকে নিউ দিল্লির এস্তোনিয়ার দূতাবাসের এস্তোনিয়া ভিসা এপয়েন্টমেন্ট  ওয়েভ লিংক থেকে ভিসা আবেদনের এপয়েন্টমেন্টের তারিখ বুকড করতে হবে
  • এপয়েন্টমেন্ট পাবার পর ভিসা আবেদনের যাবতীয় কাগজপত্রের ব্যবস্থা করুণ
  • উল্লেখিত এপয়েন্টমেন্টের দিন আপনার নিম্নে উল্লেখিত কাগজপত্র গুলো জমা দিন
  • কিছুক্ষণ পর আপনাকে ইন্টার্ভিউয়ের জন্য ডাকা হবে
  • ইন্টার্ভিউ শেষে আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হবে
  • ইন্টার্ভিউয়ের দিন অথবা এরপরের দিন আপনার পাসপোর্ট সংগ্রহ করে দেশে চলে আসুন ২-৩ মাস পর দূতাবাস আপনাকে ফলাফল জানাবে। ফলাফল ইতিবাচক হলে আবারোও নিউ দিল্লি গিয়ে টেম্পোরারি রেসিডেন্স পারমিট সংগ্রহ করুণ
  • ভিসা আবেদন কমপক্ষে ক্লাস শুরু হবার ২-৩ মাস পূর্বে করতে হবে

স্টুডেন্ট ভিসা/লং টার্ম ভিসার আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা

  • নিজ হাতে পূরণকৃত টেম্পোরারি রেসিডেন্স পারমিট ভিসা আবেদন ফর্ম ( এই লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন ফর্ম ১, ফর্ম ২, ফর্ম ৩, ফর্ম ৪, ফর্ম ৫  
  • এপয়েন্টমেন্টের প্রিন্ট কপি
  • ভিসা আবেদন ফর্মের জন্য ২ কপি ৪*৫ cm সাইজের ছবি। ব্যাকগ্রাউন্ড অবশ্যই সাদা হবে। ছবিতে অবশ্যই আপনার ফেইস বড় দেখাতে হবে। ছবিটি কিভাবে উঠাতে বলবেন তাঁর একটি আইডিয়া দিচ্ছি। ছবির নিচের অংস টুকু আপনার গলার একটু নিচ থেকে হবে। ছবির সাইডে কোন প্রকার বোয়ারডার হবে না। ছবিতে এডিটিং কম করতে বলবেন। ছবি হতে হবে ন্যাচারাল।
  • মুল পাসপোর্ট
  • পাসপোর্টের সাদাকালো ১কপি ফটোকপি (শুধুমাত্র ইনফরমেশন পেইজ)
  • এডমিসান লেটার
  • ১ বছরের ট্রাভেল হেলথ ইনস্যুরেন্স যেটা অবশ্যই ১ বছরে ৩০,০০০ ইউরো মেডিক্যাল কস্ট কভার করবে বাংলাদেশে  ইউরোপীয় ইউনিয়ন অনুমোদিত  ইনস্যুরেন্স কোম্পানি থেকে ক্রয় করতে হবে।
  • আপনার পরিবার প্রধানের মাসিক আর্থিক আয়ের প্রমাণ কপি। প্রতি মাসে আপনার পরিবার প্রধানের আয় কি রূপ হতে হবে তাঁর একটি ধারনা দিচ্ছি ধরুন আপনার পরিবারে সদস্য সংখ্যা ৩জন(আপনি,আপনার বাবা,মা) সেক্ষেত্রে জন প্রতি ১৫৬ ইউরো করে ধরতে হবে অর্থাৎ ১৫৬*৩= ৪৬৮ ইউরো আপনার পরিবারের প্রধানের মাসিক আয় হতেই হবে। সে অনুযায়ী সদস্য সংখ্যা ৫ জন হলে ১৫৬*৫= ৭৮০ ইউরো মাসিক আয় হতে হবে। আপনার বাবা চাকুরীজীবী হলে তাঁর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মাসিক বেতনের কনফার্মেশন। যদি ব্যবসায়ী হয় সেক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স সহ ব্যবসায়িক মুনাফার প্রমাণ পত্র
  • অরিজিনাল শেষ ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ব্যাংক সার্টিফিকেট (মাসিক আয়ের সাথে ১২ দিয়ে গুন করলে যে এমাউন্ট হবে সেটাই ব্যাল্যান্সে থাকতে হবে এই ব্যাংক স্টেটমেন্ট আপনার বাবা-মা অথবা ভাই এর হলে এর একটি এফিডেভিট কপি লাগবে।

ভিসা এবং কনস্যুলার ফি

  • ৬৫ ইউরো ৫২০০ রুপি

মন্তব্যসমূহ

Facebook