ইউরোপীয় ভিসা আবেদনের যতসব নিয়মনীতি

ইউরোপে উচ্চ শিক্ষার সর্বশেষ ধাপের নাম ভিসা আবেদন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সচেতনভাবে ভাবে এবং গুরুত্বের সহিত এই ধাপটির কাজ সম্পন্ন করতে হয়।

উচ্চ শিক্ষার জন্য আশা প্রত্তাশা নির্ভর করবে ভিসা আবেদনের উপর। প্রতিটি ইউরোপীয় দেশের ভিসা আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা ভিন্নতর হয়। সে অর্থে ভিসা আবেদনের প্রাক্বালে অবশ্যই জেনে নিতে হবে কি কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ব স্ব দূতাবাসে জমা দিতে হবে।

যেহেতু চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, এস্তোনিয়ার দূতাবাস বাংলাদেশে নেই সেহেতু আপানকে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের নিউ দিল্লীতে যেতে হবে। তাই বুজতেই পারছেন ভিসা আবেদনের কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে আপনাকে নিউ দিল্লীতে ঝামেলা পোহাতে হবে। আপনারা যেন কোন প্রকার ঝামেলা পোহাতে না হয় সেকারণে এই আর্টিকেলে আমরা  চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া এবং এস্তোনিয়ার ভিসা আবেদনের পদ্ধতি, কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হবে এবং এছাড়া ভিসা আবেদন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

আশাকরি  চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া এবং এস্তোনিয়ার ভিসা আবেদনের কার্যক্রম সফলভাবেই সম্পন্ন করতে পারবেন। একটি বিষয় মনে রাখবেন ভিসা আবেদনের জন্য যাবতীয় সকল তথ্য উপাত্ত এবং কাগজপত্র সকল কিছু যেন নির্ভেজাল হয়। কেউ চালাকি করে এখানে জাল কিছু দিবেন না। মনে রাখবেন সঠিক বা নির্ভেজাল কাগজপত্র ভিসা আবেদন অনুমোদন পাওয়ার মূল নিয়ামক।

বাংলাদেশি নাগরিক বিশ্বের যেকোন চেক দূতাবাস/স্লোভাক দূতাবাস/স্লোভেনিয়া দূতাবাস/এস্তোনিয়া দূতাবাসে  ভিসার আবেদন করতে পারবে। ধরুন আপনি মালায়েশিয়া কিংবা ইউরোপের কোন দেশে বৈধভাবে লং টার্ম বেইসড বসবাস করছেন সেক্ষেত্রে আপনি মালয়েশিয়া কিংবা ইউরোপের যে দেশে থাকছেন সেখানে থাকা চেক দূতাবাস/স্লোভাক দূতাবাস/স্লোভেনিয়া দূতাবাস/এস্তোনিয়া দূতাবাসে  লং টার্ম ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

অনেক সময় দেখা যায় আপনি যে দেশে রয়েছেন সে দেশে চেক দূতাবাস/স্লোভাক দূতাবাস/স্লোভেনিয়া দূতাবাস/এস্তোনিয়া দূতাবাস  নেই তখন আপনাকে জানতে হবে আপনার দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক চেক প্রজাতন্ত্র/স্লোভাক প্রজাতন্ত্র/স্লোভেনিয়া /এস্তোনিয়া  কোন দেশের চেক দূতাবাস/স্লোভাক দূতাবাস/স্লোভেনিয়া দূতাবাস/এস্তোনিয়া দূতাবাসের মাধ্যমে হচ্চে এবং সে দেশে গিয়ে লং টার্ম ভিসা আবেদন করতে পারবেন।

ভিসা আবেদনের জন্য পোশাক-পরিচ্ছদের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।  অবশ্যই ফর্মাল পোশাক পরিধান করে দূতাবাসে যাবেন, ছেলেরা ইন করে যাবেন এবং ইচ্ছা হলে টাই পড়তে পারেন এবং অবশ্যই দাড়ি কেটে যাবেন (সুন্নতি দাড়ি থাকলে ভিন্ন বিষয়)।  মেয়েরা সেলোয়ার কামিজ পরিধান করবেন। ফর্মাল পোশাকের রঙ দৃষ্টিকটু যেন না হয়। অতিরিক্ত পারফিউম ব্যাবহার থেকে বিরত থাকুন।

ইন্টার্ভিউয়ের দিন নার্ভাস অনুভব করলে দূতাবাসের সামনে একটু হাটা চলা করুণ এবং কাড়ো সাথে কথা বলুন। দেখবেন কিছুটা হলেই ফ্রি লাগবে।

মন্তব্যসমূহ

Facebook