সুবিন্দুর সাফল্যের কিছু চিত্র

সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের পথচলা ৬ ই ডিসেম্বর ২০১৪ থেকে। যেহেতু শুরু থেকে আজ অবদি কোন প্রকার স্থায়ী-অস্থায়ী অফিস কক্ষ ছিল না, সেজন্য খুব বেশি শিক্ষার্থী নিয়ে সুবিন্দুর কাজ করা হয়নি। তদপুরি ছোট আঙ্গিকে কাজ করা স্বত্বেও সঠিক নির্দেশনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর ভিসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সুবিন্দু অ্যাডভাইজর প্রত্যক্ষ সহায়তা করছে। এখানে সুবিন্দুর প্রসেস করা কিছু শিক্ষার্থীর ভিসা প্রাপ্তির চিত্র তুলে ধরা হল। আমাদের শিক্ষার্থীর ভিসা প্রাপ্তির বিস্তারিত তথ্য জানতে সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজ ফলো করুন।

শিক্ষার্থীদের একান্ত ভালোলাগা কিছু অনুভূতি

ঊম্মে ফাহিমা সিদ্দিকা 
মাস্টার্স ইন ফাইনান্স
মাসারেইক ইউনিভার্সিটি
সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইনটেক

সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের সাথে আমি প্রায় ১ বৎসর কানেক্টেড ছিলাম। প্রসেস শুরু করেছিলাম ২৭ আগস্ট ২০১৭ থেকে। টার্গেট ছিল ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সেশন। আমি যে সময়ে আবেদন করি তখন চেক দুতাবাশ তাদের অনলাইন ভিসা এপয়েন্টমেন্ট পোর্টাল VISAPOINT EU হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল। অর্থাৎ আমি চাইলেও চেক দূতাবাস থেকে ভিসা আবেদনের এপয়েন্টমেন্ট নিতে পারব না। যেহেতু আমার কাজটি সুবিন্দু করছে, তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যেভাবেই হোক আমার এপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা করা হবে। যথাসময়ে ভর্তির যাবতীয় কাগজপত্র বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়ে যাই এবং ২০ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে ভিসা এপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণ হয়। অনেক আশা নেই নিউ দিল্লী গেলাম। কিন্তু আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের সমস্যার কারণে চেক দূতাবাস ভিসা আবেদন জমা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এঁরা বলছে আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ফরেন মিনিস্ট্রির সিলের সাথে তাদের কাছে থাকা স্যাম্পলের সাথে মিলেছে না। আমি অবাক হলাম, কারণ পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের বিষয়টি আমার স্থানীয় পুলিশ স্টেশন করেছে। যদিও পরে জানতে পেরেছি আমার এখানের সিল টি ভ্যালিড ছিল। কিন্তু ততক্ষণে ভিসা আবেদনের সময় শেষ। মানুষিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলাম, শাওন ভাই আমাকে আসস্থ করেছিলেন তিনি আমাকে পরবর্তী  সেশনের জন্য দার করাবেন(এর জন্য ফারদার এপ্লিকেসান ফি দিতে হবে না)। অবশেষে সবাই যখন চেক ভিসা এপয়েন্টমেন্টের জন্য হাহাকার করে আমি তখন অতি সহজেই এপয়েন্টমেন্ট পেয়ে যাই, এবং আগস্ট ২৯ ২০১৮ তারিখে ভিসা এপ্রুভাল পাই। বিগত ১ বৎসর এত ছোটাছুটির পর নিউজ টি পেয়ে তেমন আনন্দ অনুভব করেনি। সর্বশেষ বেক্তিগত এবং পারিবারিক সমস্যার কারণে ভিসা পাবার পরেও আমার আর চেক প্রজাতন্ত্রে যাওয়া হয়নি।
 

সঞ্জয় সরকার
মাস্টার্স ইন ফাইনান্স
মাসারেইক ইউনিভার্সিটি
ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ইনটেক

বিবিএ সম্পূর্ণের পর দেশের শীর্ষ পর্যায়ের একটি কনসালটেন্সির মাধ্যমে ক্যানাডায় মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন করি। কিন্তু এজেন্সির ভুল নির্দেশনা এবং আমার আইইএলটিএস না থাকায় ক্যানাডার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়। মানুষিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলাম হঠাৎ এক বড় ভাই সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের কথা জানাল। যোগাযোগের পূর্বে সুবিন্দুর ফেইসবুক পেইজ এবং ওয়েভসাইটের সকল আর্টিকেল পড়ে ভাল লেগেছিল, কিন্তু সুবিন্দুর নাকি অফিস নেই সেজন্যে কিছুটা ভীত ছিলাম। কেন জানি আমার কাছে মনে হয়েছিল সুবিন্দু আমার কাজ টি ভালভাবে করবে। তাই আগপাছ না ভেবে তাঁদের মাধ্যমে কাজ শুরু করলাম। কাজ শুরুর ১ মাস পর শাওন ভাই জানাল যে মাসারাইক ইউনিভার্সিটি তে মাস্টার্স প্রোগ্রামে আমার ভর্তি নিশ্চিত হয়েছে। ভর্তি নিশ্চিতের পর এক বন্ধু আমাকে বলেছিল চেক প্রজাতন্ত্রের ভিসা এপয়েন্টমেন্ট নাকি পাওয়া যায় না। কিন্তু আমার সুবিন্দুর উপর আস্থা ছিল, সৃষ্টি কর্তার অশেষ কৃপা ঠিক সময়ে এপয়েন্টমেন্ট এবং ভিসা পেয়ে যাই।

মোঃ তাকিবুল ইসলাম
মাস্টার্স ইন পাব্লিক ইকোনোমিক্স এন্ড এডমেনিস্ট্রেশন
মাসারেইক ইউনিভার্সিটি
ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ইনটেক

আইন নিয়ে পড়াশুনা শেষে পাবলিক টেক্স নিয়ে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর অধীনস্থে প্রাকটিস শুরু করি। এরপর টেক্স সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে উচ্চতর জ্ঞানের প্রয়োজন মনে করেছিলাম। ইচ্ছা ছিল পাবলিক ইকনোমিক্স ও টেক্স সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নিব। আমার এক কাজিন (সাব্বির) বর্তমানে ফ্রান্সে রয়েছে তাঁর সাথে আলাপ করে শাওন ভাইয়ের কথা জানতে পারি, উল্লেখ্য সে সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের মাধ্যমে চেক প্রজাতন্ত্রে এসেছিল। সুবিন্দু অ্যাডভাইজর আমার কাজের জন্য প্রায় ৬ মাস সময় নিয়েছিল, মাঝখানে হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম। পরিশেষে সুবিন্দু অ্যাডভাইজর আমাকে ভাল একটি ইউনিভার্সিটি তে পাবলিক ইকোনোমিক্স বিষয়ে ভর্তির সুযোগ করে দেয়, আলহামদুলিল্লাহ কোন প্রকার হেসেল ছাড়াই ভিসা পেয়েছি।

সাইফুদ্দিন সাকিল
মাস্টার ইন ইকোনমিক্স
মাসারেইক ইউনিভার্সিটি
সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইনটেক

সম্ভবত সুবিন্দু অ্যাডভাইজর ২০১৪ শেষের দিকে তাঁদের কার্যক্রম শুরু করে, আমি তাঁদের ফেইসবুক পেইজে অনেক আগে থেকে কানেক্টেড ছিলাম। তাঁদের লিখা আমার ভাল লাগত, প্রতিটি আর্টিকেল তথ্য ভিত্তিক সহজ সাবলীল ভাষায় ছিল।সুবিন্দুর শুরুর সময় আমি বিবিএ ২য় বর্ষে। আর প্রায় সময় হঠাৎ আমার ফেসবুক একাউন্টের টাইম লাইনে তাঁদের বিভিন্ন পোস্ট বা ভিসা প্রাপ্তির পোস্ট চোখে পড়ত। তখন বিষয়টি কে তেমন পাত্তা দেয়নি। বিবিএ শেষ করে যখনি দেশের বাহিরে মাস্টার্সের পরিকল্পনা মাথায় আসল, অনেস্টলি বলছি সবার আগে সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের কথা মাথায় আসে। শাওন ভাইয়ের সাথে বিস্তারিত কথা বলি এবং সাহস নিয়ে কাজ শুরু করি। পরিশেষে ভাল একটি ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির কল্যাণে ভিসা পেয়ে যাই।

রাকিবুল ইসলাম
ব্যাচেলর ইন ইকোনমিক্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট
স্কোডা অটো ইউনিভার্সিটি
সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইনটেক

আমার এলাকার এক ছোট ভাই সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের মাধ্যমে চেক প্রজাতন্ত্রে গিয়েছিল। আমি মূলত ওর কাছ থেকেই তাঁদের সন্ধান পাই। আমি পাস কোর্স থেকে ব্যাচেলর সম্পূর্ণ করি। সুবিন্দু জানালো আমি মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য এলিজিবল নই আমাকে ব্যাচেলর প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হবে। তাঁদের প্রতি আমার একটাই অনুরোধ ছিল আমাকে যেন এমন একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো হয় যেটা থেকে সচারাচর শিক্ষার্থীরা ভর্তি সুযোগ পায় না। সুবিন্দু আমার কথা রেখেছে। তাঁরা আমাকে স্কোডা অটো ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির সুযোগ করে দেয়। আমার প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব কতখানি তা কেবল চেক দূতাবাসে পৌছিয়ে বুঝতে পেরেছিলাম। ইন্টার্ভিউয়ের দিন বাংলাদেশি, ভারতীয়, নেপালি সহ মোট ৮ জন এপ্লিকেন্ট ছিল এর ভিতরে ৫ জন ছিল চেক ইউনিভার্সিটি অব লাইফ সায়েন্স, আর ২ জন ছিল চেক কলেজের এবং আমি। শেষে ইন্টার্ভিউ নেবার কারনে প্রত্যেকের ইন্টার্ভিউয়ের সম্বন্ধে জানতে পেরেছি, মোটামুটি সবাই একি রকম কথা বলল যে, ভিসা অফিসার নাকি তেমন সাপোর্টিভ ছিল না। আমাকে যখন ডাকা হল, মে আই কামিং স্যার বলার আগে ভিসা অফিসার বলে উঠল, ইউ গট এডমিসান ফ্রম স্কোডা অটো ইউনিভার্সিটি আমি বললাম ইয়েস। প্লিজ হেভে এ সিট। পরের প্রশ্ন ছিল, হাউ ইউ ইনফোরমড দিস ইউনিভার্সিটি? তখন শাওন ভাই যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছিল ঠিক ঐভাবেই উত্তর দিলাম। আমার কেন জানি মনে হয়েছে ভিসা অফিসার আমার কলেজের কথা শুনে খুবি সন্তুষ্ট ছিলেন। ফাইনালি আমি ভিসা পেয়ে যাই, দুর্ভাগ্য বশত যাদের সাথে দূতাবাসে পরিচয় হয়েছিল তাঁদের ভিতর মাত্র ১ জন ভিসা পেয়েছিল। আমার মনে হয় শুধুমাত্র আমার ইউনিভার্সিটির কারনেই ভিসা পেয়েছি। অল কেডিট গোস টু স্কোডা অটো ইউনিভার্সিটি এন্ড সুবিন্দু অ্যাডভাইজর।

সাফায়েত হোসেন শাওন 
মাস্টার্স ইন প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং
চেক টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি
সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইনটেক

সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের একটি পোস্ট দেখেছিলাম। লেখা ছিল নো নীড টু পে টিউসান বিফোর এরাইভ ইন চেক রিপাবলিক। চেক প্রজাতন্ত্রে যাবার জন্য অনেক কনসালটেন্সি ফার্মে গিয়েছি কিন্তু সবাই ভিসার আবেদনের পূর্বে টিউসান ফি চায়। আমি চাচ্ছিলাম টিউসান ফি অগ্রিম না দিয়ে ভিসা আবেদন করতে। ঠিক ঐ সময় সুবিন্দুর এই পোস্টটি আমার চোখে পড়ে। আমি সুবিন্দু কে শর্ত দিয়েছিলাম আমাকে ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামে ভর্তি করালে চলবে না, অবশ্যই ইংরেজি মিডিয়ামে মেইন কোর্সে ভর্তি করাতে হবে। সুবিন্দু অ্যাডভাইজর আমার কথায় সায় দিয়ে সম্মতি দিল। ২ মাস পর আমাকে জানানো হল আমি চেক টেকনিক্যালে ইউনিভার্সিটি তে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। ৭ দিনের ভিতরে ইউনিভার্সিটি ভিসা আবেদনের সকল হার্ড কপি আমার ঠিকানায় কুরিয়ারে পাঠিয়ে দেয়। সঠিক সময়ে ভিসার আবেদন করি এবং প্রায় ২ মাস পর ভিসা প্রাপ্ত হই। অতপর চেক প্রজাতন্ত্রে পৌছিয়ে টিউসান ফি পরিশোধ করি।

শিউলি আক্তার
মাস্টার ইন মার্কেটিং কমিউনিকেশন
দ্যা ইউনিভার্সিটি অব ফাইনান্স এন্ড এডমিনেস্ট্রেশন
সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইনটেক

উচ্চশিক্ষার কনসালটেন্সির ফার্ম নিয়ে আমার একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা ছিল। বাংলাদেশের একটি অখ্যাত কনসালটেন্সির ফার্মের মাধ্যমে আমি পোল্যান্ডে ভর্তি এবং ভিসা প্রসেসের জন্য শুরুতেই কিছু আর্থিক লেনদেন করি। কিন্তু এঁরা ৭ মাসেও আমার ভর্তির কোন আপডেট জানাতে পারে নাই এবং অবশেষে পরিশোধকৃত অর্থ ফেরত পাইনি। তখন ইউরোপে উচ্চশিক্ষার আশা হারিয়ে ফেলেছিলাম। সুবিন্দুর ফেইসবুক পেইজ এবং অয়েভসাইট প্রায়শই ফোল করতাম। শিক্ষার্থীকে অনেক ভাল পরামর্শ দিতে দেখেছি, পরামর্শের ধরণ দেখে আমার মনে হয়েছে এক মাত্র উচ্চশিক্ষা নিয়ে এক্সপারটাইজ বেক্তির পক্ষেই এই ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব। সুবিন্দুর সাথে কথা বলি, উল্লেখ্য আমার ইংরেজি স্পিকিং ততটা ভাল না। এই বিষয়টি সুবিন্দু কে জানাই এবং স্পিকিং স্কিল নিয়ে আমাকে কিছু এডভাইস করল এবং তাঁদের ভিসা ইন্টার্ভিউ গ্রুমিং এর ফলে আমি সাহস পাই এবং ভাল একটি ভিসা ইন্টার্ভিউ দিয়ে ভিসা প্রাপ্ত হই।

মোঃ শাহাদাত হোসেন সাগর 
ব্যাচেলর ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট আন্ড কর্পোরেট ফাইনান্স
দ্যা ইউনিভার্সিটি অব ফাইনান্স এন্ড এডমিনেস্ট্রেসান ইন প্রাগ
সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইনটেক

ব্যাচেলর প্রোগ্রামে অষ্ট্রিয়ায় চেস্টা করেছিলাম কিন্তু ভিসা এপয়েন্টমেন্ট এবং অস্ট্রিয়ান দূতাবাসের লম্বা সময়ের ফাইল প্রসেসের কারণে অষ্ট্রিয়ায় ভিসা আবেদন করা হয়নি। সুবিন্দুর ফেইসবুক পেইজের সাথে অনেক আগে থেকেই পরিচিত। শাওন ভাইকে আমি বলেছিলাম আমার পক্ষে অগ্রিম টিউসান ফি দেওয়া সম্ভব নয়। তাই আমি চেক ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সে আবেদন করতে চাই। কিন্তু তিনি জানালেন বর্তমানে চেক ল্যাঙ্গুয়েজে আগের মত ভিসা এপ্রুভ হয় না, সেঅর্থে ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সে ভিসা আবেদন বকামি হবে। তারপরেও আমি তাকে জোর দিয়ে বলি আমাকে ল্যাঙ্গুয়েজে দেন। সুবিন্দু অ্যাডভাইজর আমাকে চার্লস ইউনিভার্সিটিতে চেক ল্যাঙ্গুয়েজে ভর্তির সুযোগ করে দেয় এবং নিদ্রিস্ট সময়ে ভিসা আবেদন করি। দুর্ভাগ্যবশত আমার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয় এবং সুবিন্দুর কথাই সঠিক হল। এরপর পরিবারকে বুঝিয়ে অগ্রিম টিউসান ফির ব্যবস্থা করলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম আবার আবেদন করব। শাওন ভাই কে বললাম চেক ইউনিভার্সিটি অব লাইফ সায়েন্সে আমার ভর্তির ব্যবস্থা করেন, আমি টিউসান ফি অগ্রিম দিতে পারব। কিন্তু তিনি বললেন বর্তমানে লাইফ সায়েন্সে ভিসা হয় না। আমি তাঁর উপর আশ্বাস রেখে বললাম আপনি যে ইউনিভার্সিটিকে ভাল মনে করেন সেখানেই দেন। এবার আমার কোন চয়েস নেই। এরপর সে আমাকে দ্যা ইউনিভার্সিটি অব ফাইনান্স এন্ড এডমিনেস্ট্রেসান ইন প্রাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দেয়। আলহামদুল্লিয়াহ দ্বিতীয় পদক্ষেপে আমি ভিসা প্রাপ্ত হই। আমি যে সময়ে ভিসা আবেদন করেছিলাম তখন চেক এম্বাসি গণ হারে রিফিউস করেছিল। আমার দেখামতে সে সময়ে লাইফ সায়েন্স ইউনিভার্সিটির একজন বাংলাদেশি ভিসা পায়নি। কিন্তু দ্যা ইউনিভার্সিটি অব ফাইনান্স এন্ড এডমিনেস্ট্রেসান ইন প্রাগ এর প্রায়ই শিক্ষার্থীর ভিসা এপ্রুভ হয়। সুবিন্দু কে আবারও ধন্যবাদ কারণ দ্যা ইউনিভার্সিটি অব ফাইনান্স এন্ড এডমিনেস্ট্রেসান ইন প্রাগ এ ভর্তি নিয়েছি বলেই ভিসা পেয়েছি।

তপন কুমার বিশ্বাস
মাস্টার ইন হিস্টোরিকাল সোসিওলোজি
চার্লস ইউনিভার্সিটি
সেপ্টেম্বর ২০১৬ ইনটেক

ইউনিভার্সিটি অব সান্ডারল্যান্ড ইউকে থেকে ব্যাচেলর সম্পূর্ণ করি। অনেক আগে থেকেই চেক প্রজাতন্ত্রের চার্লস ইউনিভার্সিটি নিয়ে ফেসিনেসান কাজ করত। যেহেতু নিজেই উচ্চশিক্ষার জন্য ৪ বছর ইউকে ছিলাম সেঅর্থে কনসালটেন্সির সাহায্য আমার দরকার ছিল না। আমার ট্রেক রিলাটেড চার্লস বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিপার্টমেন্টের সাথে কথা বলি কিন্তু এরা বলছে আমাকে নাকি চেক প্রজাতন্ত্রে এসে এন্ট্রেন্স টেস্ট দিতে হবে অথবা নোস্ট্রিফিকেসান করতে হবে। যা বাংলাদেশে বসে অত সহজ নয়। শাওন ভাই সম্ভবত তখন চেক প্রজাতন্ত্র থেকে বাংলাদেশে ছুটিতে আসে। আমি তাঁর সাথে কথা বলি। আমার কথা ছিল একটাই আমাকে চার্লস ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি করিয়ে দিতে হবে ( মেইন প্রোগ্রামে)। সে আমার কথায় রাজি হয় এবং শর্ত দিল সাবজেক্ট আমার ট্রেক অনুযায়ী নাও হতে পারে। আমি মেনে নিলাম। কাজ শুরুর ১ মাসের মধ্যে চার্লস ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স ইন হিস্টোরিকাল সোসিওলোজি বিষয়ে আমাকে ভর্তি করানো হল। আমি কিছুটা অবাক হলাম, কোন প্রকার স্কাইপ, এন্ট্রেন্স, নোস্ট্রিফিকেসান ছাড়া কিভাবে ভর্তি সম্ভব, পাশাপাশি ভর্তি নিয়ে কিছুটা সন্দেহ হয়েছিল। পরে ইউনিভার্সিটির সাথে কথা বলে ভর্তির সত্যতা পেলাম। বিষয়টি নিয়ে শাওন ভাইয়ের সাথে কথা হয়েছিল আমার, উনি জানালেন আসলে চার্লস ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট কিছু কিছু সময়ে এই ধরনের সুযোগ ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষার্থীদের দেয়। যেখানে ভর্তি হতে হলে শুধুমাত্র একাডেমিক ডকুমেন্ট জমা দিলেই চলে তবে এই ধরনের সুযোগ মাত্র ১ টি সেশনে থাকে। আগামী বছর থেকে হিস্টোরিকাল সোসিওলোজি বিষয়ে ভর্তি হতে হলে নোস্ট্রিফিকেসান এবং ৮০-৫০ পাতার একটি রচনা লাগবে। তিনি সবসময় এই ধরণের অফার গুলি মনিটর করেন তাই বেটে বলে মিলে যাওয়াতে আমাকে এই প্রোগ্রামে দিতে পেরেছেন। ২ বছরের মাস্টার্স প্রোগ্রামে বাৎসরিক টিউসান ফি মাত্র ২০০০ ইউরো ছিল। আমার দেখামতে এর চেয়ে কম টিউসান ফি চেক প্রজাতন্ত্রে নেই। সময়মত ভিসা আবেদন করি এবং ভিসা প্রাপ্ত হই। আরও একটি অবাক করার বিষয়, শাওন ভাইয়ের সাথে আমার জার্নি ৪ মাসের মত ছিল, দুর্ভাগ্যবশত তার আসাথে আমার কখনো দেখা হয়নি।

রিয়াজ মাহমুদ
মাস্টার ইন হিস্টোরিকাল সোসিওলোজি
চার্লস ইউনিভার্সিটি ইন প্রাগ
সেপ্টেম্বর ২০১৬ ইনটেক

সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের নাম কখনো শুনিনি। আমার বন্ধু তপন কুমার বিশ্বাস সুবিন্দুর মাধ্যমে কাজ শুরু করে এবং পরে আমি সহ ২ জন যোগ হই। সেপ্টেম্বর ২০১৬ ইনটেকে মোট ৩ জন চার্লস ইউনিভার্সিটির মাস্টার্স ইন হিস্টোরিকাল সোসিওলোজি বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পাই। এর পূর্বে আমি ইতালি সহ ২ টি দূতাবাস থেকে প্রত্যাখ্যাত হই। তাই এই বিষয়টি নিয়ে অনেক ভয়ে ছিলাম। শাওন ভাই বলল চেক প্রজাতন্ত্রের ক্ষেত্রে এটি কোন সমস্যা নয় আপনি শুধু ভাল একটি ইন্টার্ভিউ দেবার চেস্টা করুন।আল্লাহ রহমতে আমি এবং তপন ভিসা প্রাপ্ত হই।

আরিফুল ইসলাম 
মাস্টার ইন হিউমেনিটিস
অ্যাংলো অ্যামেরিকান ইউনিভার্সিটি
সেপ্টেম্বর ২০১৬ ইনটেক

সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের শুরু থেকে আমি তাঁদের ফেইসবুক গ্রুপ এবং পেইজে যুক্ত ছিলাম। লক্ষ্য রাখতাম কে কে ভিসা পাচ্ছে আর কারা কারা পাচ্ছে না। তখন শাওন ভাই চেক প্রজাতন্ত্রে থাকতেন। একদিন তাঁর সাথে প্রসেসিং নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়। তাঁর উপর আশ্বাস রেখে জার্নি শুরু করি। চেক প্রজাতন্ত্রের স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাই। ভিসা আবেদনের পূর্বে প্রপার গ্রুমিং করানো হয়। অবশেষে ভিসা আবেদন করি এবং ভিসা প্রাপ্ত হই। আমি সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের মঙ্গল কামনা করছি।

সাব্বির হোসেন নাহিদ 
চেক ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রাম
চার্লস ইউনিভার্সিটি
ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ইনটেক

অফিস ব্যতীত অনলাইন ভিত্তিক উচ্চশিক্ষার পরামর্শক কোন প্রতিষ্ঠান যে সততার সহিত কাজ করতে পারে তাঁর প্রমাণ আমি নিজেই। বাসায় যখন সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের কথা বললাম আব্বা বলেছিলেন তুমি চিন না জাননা এমন বেক্তির সাথে কেন কাজ করবে। যাদের অফিস আছে তাঁদের সাথে যোগাযোগ কর। আব্বা কে নিয়ে অফিস অলা কিছু কনসালটেন্সি তে যাই। তাঁদের উচ্চ সার্ভিসিং ফি এবং কাল্পনিক মনগড়া স্বপ্ন আমাকে আর আমার আব্বাকে ইমপ্রেস করতে পারে নাই। কারণ ইতিমধ্যে সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের বিভিন্ন আর্টিকেল থেকে আমি অনেকে তথ্য জেনেছি। যেগুলি সচারাচর কোন কনসালটেন্সি বলে না বা জানেও না। বাবার সাথে শাওন ভাইয়ের কথা হয় এবং আমারা কাজ শুরু করি। কিন্তু আমার বাবা অগ্রিম টিউসান ফি দিতে অপারাগ ছিলেন। তিনি মনে করেছিলেন ভিসা না হলে টিউসান ফির টাকা হয়ত ফেরত পাওয়া যাবে না। তার উপর যাদের মাধ্যমে কাজ করব তাঁদের কোণ অফিস নেই। তাই অনেকটা বাধ্য হয়ে। চেক ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সে আবেদন করি(চেক ল্যাঙ্গুয়েজে অগ্রিম টিউসান ফি দিতে হয় না)। আবেদনে প্রথম ২ মাসে আমার ভর্তির কোন খোঁজ ছিল না। এই দিকে বাসা থেকে চাপ সৃষ্টি করে। শাওন ভাই আশ্বাস দিত ধৈর্য ধরতে। আলহামদুল্লিয়াহ আরও কিছু দিন যাবার পর চার্লস বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সে ভর্তি কনফার্মেশন পেলাম। তাঁর নির্দেশনায় ভিসা আবেদনের জন্য সকল কাগজপত্র প্রস্তুত করি এবং ভিসা ইন্টার্ভিউয়ের জন্য প্রায় প্রতি সপ্তাহে শাওন ভাই ইন্টার্ভিউ নিতেন। এপয়েন্টমেন্ট তারিখ অনুযায়ী ভিসা আবেদন করি এবং ভিসা প্রাপ্ত হই। আমার বাবা সত্যি উনার প্রতি কৃতজ্ঞ ।

সাগর কুমার সরকার
চেক ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স
চার্লস ইউনিভার্সিটি
সেপ্টেম্বর ২০১৫ ইনটেক

সুবিন্দু অ্যাডভাইজর কথা অনুযায়ী কাজ করে। এই তথ্য ইতিমধ্যে আমি কয়েকজন থেকে জানতে পেরেছি। অগ্রিম টিউসান ফি দেওয়া সম্ভব নয় সেজন্যে সুবিন্ধুর মাধ্যমে চেক ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামে ভর্তি হই। মাত্র ৪ মাসের জার্নি ছিল আমার এবং ভিসা প্রাপ্ত হই। সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের প্রতি মন থেকে সুভকামনা রইল।

অপু সাহা
ব্যাচেলর ইন ইকোনমিক্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট
ইউনিকর্ন কলেজ
সেপ্টেম্বর ২০১৫ ইনটেক

মধ্যবিত্ত পরিবারে সন্তান হওয়ায় পর্যাপ্ত অর্থ আমার কাছে নেই। বাবা মারা যাওয়ায় পরিবারের সকল ব্যয়ভার আমার কাঁধে পরে। উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনার ফলে বাংলাদেশে চাকুরী পাইনি। তাই বাধ্য হয়ে ইউরোপে যাবার পরিকল্পনা নিলাম। বিষয়টি যে যেভাবেই দেখুক না কেন আমি চেক প্রজাতন্ত্রে যেতে চাই শুধুমাত্র আমার পরিবারকে সাপোর্ট দেবার জন্য এর চেয়ে বেস্ট চয়েস আমার কাছে ছিল না। শাওন ভাইকে জানালাম, চেক প্রজাতন্ত্রের ভাল একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি মিডিয়ামে ভর্তি করাবেন টিউসান ফি ভিসার পূর্বে দিতে পারব না। ইনফেক্ট চেক প্রজাতন্ত্রে পৌছিয়ে নিজ পকেট থেকে টিউসান ফি দেওয়া সম্ভব নয়। সেখানে গিয়ে বেশি বেশি কাজ করে টিউসান ফি দিতে হবে। শুধুমাত্র আপনার সার্ভিস চার্জ দেবার জন্য অল্প কিছু টাকা আছে। উত্তরে শাওন ভাই বলল সর্বাত্মক চেস্টা সে করবে এবং তাঁকে সময় বেশি দিতে হবে। তবে কনফার্ম কিছু বলে নাই, কারণ চেক প্রজাতন্ত্রের বেশীরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় টিউসান ফি অগ্রিম চায়। আমি তাঁর কথায় রাজি হলাম। সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপা ভাল একটি কলেজে আমার ভর্তি নিশ্চিত হয় এবং যেখানে অগ্রিম টিউসান ফি দিতে হবে না। যদিও এর জন্য শাওন ভাই সময় একটু বেশি নিয়েছিল। অবশেষে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হাতে আসল। ভিসা এপ্রুভাল পেয়ে গেলাম। সুবিন্দু অ্যাডভাইজর কে অশেষ ধন্যবাদ জানাই।

সাজ্জাদ হোসেন অভি
ব্যাচেলর ইন ইনফোরমেটিক্স
চেক ইউনিভার্সিটি অব লাইফ সায়েন্স ইন প্রাগ
সেপ্টেম্বর ২০১৫ ইনটেক

সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের নিজস্ব কোন অফিস না থাকা সত্ত্বেও আমি এবং অপু সাহা তাঁদের মাধ্যমে ভিসা প্রসেস করি। তখন বিষয়টি রিস্ক মনে হচ্চে। তারপরেও অগ্রসর হলাম এই ভেবে যে, সুবিন্দু অ্যাডভাইজরের সাথে আমার ভিসার পূর্বে এমন কোন বড় অংকের আর্থিক লেনদেন হচ্চে না, যেটাকে অনেক রিস্ক মনে করব। আলহামদুল্লিয়াহ আমরা ২ জনই ভিসা প্রাপ্ত হই। শাওন ভাইয়ের সাথে আমার দেখা চেক প্রজাতন্ত্রে পৌছিয়ে হয়। সত্যিও আমি কৃতজ্ঞ।
মন্তব্যসমূহ

Facebook