ভর্তি আবেদনের জন্য কম খরচে ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডকুমেন্ট যেভাবে পাঠাবেন

আমরা জানি যে, বেশীরভাগ ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ডকুমেন্টের হার্ড কপি ডাকযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিকানায় Document Send-করতে হয়। বাংলাদেশ থেকে ডকুমেন্ট পাঠানোর বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। সবচেয়ে কম খরচে পাঠানো যায় সেই উপায় নিয়ে আলোচনা করা হল। ডকুমেন্ট পাঠানোর পূর্বে অবশ্যই স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের ডকুমেন্ট পাঠানোর তালিকা চেয়ে নিবেন।

১। বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের মাধ্যমে Document Send এর প্রক্রিয়া

আপনি যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করছেন সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডকুমেন্ট হাতে পাবার শেষ তারিখ যদি ৪৫-৬০ দিনের ভিতরে হয়, তখন বাংলাদেশ পোস্টে রেজিস্টার্ড মেইলের মাধ্যমে মাত্র ৫০-৮০ টাকা দিয়ে ডকুমেন্ট পাঠাতে পারবেন ডকুমেন্ট পৌঁছাতে ১৫-২০ দিন সময় লাগবে। পোস্ট অফিস একটি ট্র্যাকিং নাম্বার দিবে এটা দিয়ে  ট্রাক করতে পারবেন। পোস্ট করার সময় অবশ্যই আপনার নাম ঠিকানা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ঠিকানা স্পষ্ট অক্ষরে লিখবেন।

ইচ্ছা হলে হাতে লেখার বদলে প্রিন্টেড  নাম ঠিকানা দিতে পারেন। এই পদ্ধতি যথেষ্ট নিরাপদ এবং আপনার ডকুমেন্ট হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা কম।

নোট: বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের আরেকটি সার্ভিসের নাম ই এম এস। কিন্তু দুঃখের বিষয় ই এম এস এর মাধ্যমে আপনি চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, এস্তোনিয়ায় পাঠাতে পারবেন না। কারণ এই দেশ গুলোতে বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের (ইএমএস) এখনো সার্ভিস চালু করে নাই।

২। ফেডেক্স কুরিয়ারে স্টুডেন্ট ডকুমেন্ট পাঠানোর একটি প্যাকেজ রয়েছে। আপনার সকল ডকুমেন্ট ফেডেক্স এর মাধ্যমে স্টুডেন্ট প্যাকেজে পাঠাতে পারেন। খরচ ২২০০ টাকার মত। ৪-৫ দিনের ভিতরে আপনার ডকুমেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় পেয়ে যাবে।

৩। এছাড়া ঢাকায় কিছু থার্ড পার্টি রয়েছে যারা ফেডএক্স, টিএনটি, ডিএইচএল এর মাধ্যমে কম টাকায় ডকুমেন্ট পাঠিয়ে থাকে।

৪। এছাড়া দেশ কুরিয়ার, ডিএইচএল, টিএনটি, বেঙ্গল এক্সপ্রেস, ইউপিএস এর মাধ্যমে পাঠাতে পারবেন খরচ ১৫০০- ৩০০০ টাকা, ডেলিভারি সময় ৪-৫ দিন।

মন্তব্যসমূহ

Facebook